২০২৬ সালে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা কবে হবে এবং ২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি

প্রিয় পাঠক আপনি কি ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা কবে হবে এবং ২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি জানতে চাচ্ছেন কিন্তু সঠিক কোন তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন না?চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের জানানোর চেষ্টা করব,২০২৬ সালে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা কবে হবে এবং ২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি সহ বিস্তারিত তথ্য।
২০২৬ সালে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা কবে হবে এবং ২০২৬ সালের আরবি ক্যালেন্ডার

মুসলিমদের সব থেকে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান গুলোর মধ্যে রমজান মাস , ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা হল সবথেকে বড় অনুষ্ঠান। আর পুরা মুসলিম বিশ্ব এই তিনটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে। তাই আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাদের জানাবো,২০২৬ সালে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা কবে হবে এবং ২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি সহ বিস্তারিত তথ্য।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক আমরা আপনাদের এই আর্টিকেলটি মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করব যে, ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর কবে ও ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে এবং ২০২৬ সালের আরবি ক্যালেন্ডার,২০২৬ সালে রমজান মাস কবে থেকে শুরু ,২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি এবং বাংলাদেশে কেন একদিন পর ঈদ হয় এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
২০২৬ সালে রমজান মাস কবে থেকে শুরু ,২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি এবং বাংলাদেশে কেন একদিন পর ঈদ হয় এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। তাই আশা করছি আপনারা মনোযোগ সহকারে পুরো পোস্টটি পড়বেন।

২০২৬ সালের রমজান মাস কবে থেকে শুরু

২০২৬ সালের রমজান মাস বা রোজা মুনসাইট বা মুনপেইজের এর হিসেব অনুযায়ী হিজরী সন ১৪৪৭ এর রমজান হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার। এছাড়াও যেহেতু রমজান বা রোজা চাঁদ দেখার উপরে নির্ভর করে তাই দু একদিন আগে এবং পরেও ২০২৬ সালের রমজান মাস বা রোজা শুরু হতে পারে। ২০২৬ সালে আশা করা যায় রোজা ৩০ টি হতে পারে।

২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর কবে

২০২৬ সালে ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ মুনসাইড বা নপেইজের হিসেব অনুযায়ী হিজরী সন ১৪৪৭ এর ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ ২০শে মার্চ রোজ শুক্রবার হবে। এছাড়াও যেহেতু ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ চাঁদ দেখার উপরে নির্ভর করে তাই দুই এক দিন আগে এবং দু এক দিন পরেও ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ হতে পারে।

২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে

২০২৬ সালে ঈদুল আযহা বা কুরবানী ঈদ মুনসাইড বা নপেইজের হিসেব অনুযায়ী হিজরী সন ১৪৪৭ এর ঈদুল আযহা বা কুরবানী ঈদ ২৬শে মে রোজ মঙ্গলবার হবে। এছাড়াও যেহেতু ঈদুল আযহা বা কুরবানী ঈদ চাঁদ দেখার উপরে নির্ভর করে তাই দুই এক দিন আগে অথবা পরে ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা বা কুরবানী ঈদ হতে পারে।

২০২৬ সালের শবে বরাত কবে

২০২৬ সালে রমজান মাস বা রোজা মুনসাইট বা মুনপেইজের এর হিসেব অনুযায়ী হিজরী সন ১৪৪৭ এর রমজান হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার। এছাড়াও যেহেতু রমজান বা রোজা চাঁদ দেখার উপরে নির্ভর করে তাই দু একদিন আগে এবং পরেও ২০২৬ সালের রমজান মাস বা রোজা শুরু হতে পারে। আর তাই উপরে বর্ণিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালে শবে বরাত ৩ ই ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার অথবা দু-এক দিন আগে ও পরে হতে পারে।

২০২৬ সালের শবে কদর কবে

২০২৬ সালে রমজান মাস বা রোজা মুনসাইট বা মুনপেইজের এর হিসেব অনুযায়ী হিজরী সন ১৪৪৭ এর রমজান হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার। এছাড়াও যেহেতু রমজান বা রোজা চাঁদ দেখার উপরে নির্ভর করে তাই দু একদিন আগে এবং পরেও ২০২৬ সালের রমজান মাস বা রোজা শুরু হতে পারে। আর তাই উপরে বর্ণিত তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের শবে কদর ১৬ ই মার্চ রোজ সোমবার অথবা দু-এক দিন আগে এবং পরে হতে পারে।

২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি

২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, এবং শেষ হবে ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার। ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে ২০ মার্চ, শুক্রবার।
রমজান মাসে মুসলমানরা প্রতিদিন সেহরি ও ইফতার করেন, যা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের ওপর নির্ভরশীল। ঢাকার জন্য ২০২৬ সালের রমজান মাসের প্রথম ও শেষ দিনের সেহরি ও ইফতারের আনুমানিক সময়সূচি নিম্নরূপ:

তারিখ

সেহরির শেষ সময়

ইফতারের সময়

১৮ ফেব্রুয়ারি

ভোর ৫:০৭ মিনিট

সন্ধ্যা ৫:৫৮ মিনিট

  ১৯ মার্চ

ভোর ৪:৫১ মিনিট

সন্ধ্যা ৬:১০ মিনিট

সেহরি ও ইফতারের সঠিক সময় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের ওপর নির্ভর করে, যা ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সময়ের পার্থক্য থাকতে পারে; সাধারণত সর্বোচ্চ ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতার করতে হয়। সঠিক সময়সূচি জানতে স্থানীয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বা মসজিদের ঘোষণার ওপর নির্ভর করা উচিত।

২০২৬ সালের আরবি ক্যালেন্ডার

ইসলাম ধর্মাবলীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিবস , অনুষ্ঠান বা উপলক্ষ এবং ইবাদত পালন করার জন্য হিজরী সন গণনার উপর নির্ভর করতে হয় বা নির্ভরশীল। আর এই হিজরী সন বা সাল গণনা করা হয়ে থাকে ৩৫৫ বা ৩৬৫ দিনে। এছাড়াও হিজরি সনের মাস গুলো সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে।
আর এর ফলে প্রতিবছর এই গুরুত্বপূর্ণ দিবস , অনুষ্ঠান বা উপলক্ষ এবং ইবাদত এর দিনগুলো ১০ থেকে ১১ দিন করে এগিয়ে যায়। আর তাই মুসলিম ধর্মাবলিদের চাঁদ দেখার উপর এবং আরবি ক্যালেন্ডার এর উপর নির্ভরশীল হতে হয়। আর তাই নিচে ২০২৬ সালে আরবি ক্যালেন্ডার দেওয়া হলো।

বাংলাদেশে কেন একদিন পর ঈদ হয়

মধ্যপ্রাচ্য বা বিশ্বব্যাপী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশে সাধারণত মাস বা বছর তার ভৌগলিক অবস্থানের কারণে একদিন পরে শুরু হয়ে থাকে। যার ফলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে আমাদের একদিন পরে হিজরি বছর উদযাপন করা হয়ে থাকে। এবং পর্যায়ক্রমে রমজান বা রোজা , ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ এবং ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদও বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে একদিন পরে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক বৃন্দ আমরা আপনাদের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানানোর চেষ্টা করেছি ,২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর কবে ও ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা কবে এবং ২০২৬ সালের আরবি ক্যালেন্ডার,২০২৬ সালে রমজান মাস কবে থেকে শুরু ,২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি এবং বাংলাদেশে কেন একদিন পর ঈদ হয় এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।
তাই এই আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে অথবা কোন উপকারে এসে থাকে তবে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি আপনারা আপনাদের বন্ধু-বান্ধবের সাথে শেয়ার করবেন। এবং আমাদের এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ফলো করবেন।

ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Club Solver এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url